
অটোমেটিক ওভাল স্ক্রিন প্রেসে, ফ্ল্যাশ-ড্রাই প্রক্রিয়াটিই সাধারণত সমস্যার কারণ হয়। যদি ইউভি ল্যাম্পটি ঐ সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে না পারে, তাহলে অপর্যাপ্ত কিউরিং ও আঠালো হওয়ার সমস্যা এড়াতে প্রেসটির গতি কমে যায়। অ্যাকুয়া ইউভি ল্যাম্পটি ফ্ল্যাশ-ড্রাই সময়কে কমানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে; এতে প্রয়োজনীয় কিউরিং প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়। ফলে প্রেসটি দ্রুত চলতে পারে, আর প্রিন্টের গুণমানও ঠিক থাকে।
এখানে যা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো স্পেকট্রাল আউটপুট ও ইরাডিয়েন্স। অ্যাকুয়া ল্যাম্পটি হলো একটি হাই-প্রেশার মার্কুরি ভেপর ল্যাম্প; এর ৩৬৫ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যে শক্তিশালী আউটপুট রয়েছে, আর ৩২০–৪০০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যেও শক্তিশালী UVA আউটপুট রয়েছে। এটা ইউভি-কিউরেবল ইঙ্কগুলোর ফটোইনিশিয়েটরগুলোর জন্য উপযুক্ত। সাবস্ট্রেটের উপরিভাগে ইরাডিয়েন্স প্রায় ১২০০ মিলিওয়াট/সেমি² হয়; ফলে সাধারণ ফ্ল্যাশ এক্সপোজারে ৬০০–৮০০ মিলিজুল/সেমি² শক্তি পাওয়া যায়। কোয়ার্টজ আর্ক টিউবটি আর্ককে দ্রুত স্থিতিশীল করে এবং রিফ্লেক্টরটি ডাইক্রোইক কোটিং ব্যবহার করে আরও বেশি ইউভি আলো পাঠায়; এতে সাবস্ট্রেটে IR তাপ পৌঁছায় না। এর জীবনকাল ১০০০ ঘণ্টা; আউটপুটে ১০% এরও কম হ্রাস হয়। এটা ওজোন-মুক্ত, তাই কারখানার বাতাস পরিষ্কার থাকে।
এটা কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ কম সময়ে ফ্ল্যাশ-ড্রাই হলে উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে যায়। অ্যাকুয়া ল্যাম্প ব্যবহার করলে প্রতি সাইকেলে ফ্ল্যাশ এক্সপোজারের সময় ২০–৩০% কমানো যায়; তবুও পূর্ণাঙ্গ কিউরিং সম্ভব হয়। এতে ওভাল প্রেসের কাজের গতি বাড়ে, প্রতি ঘণ্টায় উৎপাদিত প্রিন্টের সংখ্যা বাড়ে, আর প্রিন্ট তৈরিতে ব্যবহৃত শক্তি কমে যায়। এছাড়া, প্রিন্টের সমগ্র প্রস্থ জুড়ে কিউরিং সমানভাবে ঘটে; ফলে স্ট্যাকড শিটগুলোতে আঠালো হওয়ার সমস্যা কমে যায়।
ল্যাম্পটি ইনস্টল করার সময় রিফ্লেক্টরের অবস্থান ও সাবস্ট্রেটের দূরত্ব ভালোভাবে যাচাই করুন। আউটপুট প্রায় ১/r² অনুপাতে কমে যায়; তাই ১০–১৫ মিলিমিটার দূরত্ব বজায় রাখা জরুরি। আর পাওয়ার সাপ্লাইটি যেন ল্যাম্পের ইগনিশন ও অপারেটিং ভোল্টেজের সাথে মেলে—অন্যথায় আর্ক অস্থিতিশীল হয়, ল্যাম্পের জীবনকাল কমে যায়, আর স্পেকট্রাল স্থিতিশীলতাও কমে যায়।